বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

Andul Dutta Choudhury Bari History and Durga Puja, Andul, Howrah


আন্দুল  দত্ত  চৌধুরী  বাড়ির  ইতিহাস  ও  দুর্গা  পূজা,  আন্দুল,  হাওড়া

             শ্যামল  কুমার  ঘোষ


ঠিকানা : চৌধুরী  পাড়া  লেন।  ( আন্দুল  ব্যায়াম  সমিতির  কাছে  )

            সংক্ষিপ্ত  ইতিহাস :  আদিশূরের  সময়ে  পুরুষোত্তম  দত্ত  পাঁচ  ব্রাহ্মণের  সঙ্গে  এদেশে  এসেছিলেন।  পুরুষোত্তম  দত্ত  বাংলার  বালি  গ্রামে  বসতি  স্থাপন  করেন।  তাঁর  উত্তর  পুরুষ  তেকড়ি  দত্ত  পিতার  ধন-সম্পদসহ  বালি  থেকে  বাস  উঠিয়ে  আন্দুলে  এসে  বসবাস  শুরু  করেন।  তিনি  ২৫২  বিঘা  জমির  উপর  প্রাসাদ,  দেবালয়  ইত্যাদি  নির্মাণ  করেন।  পরে  বাংলার  নবাব  কর্তৃক  'চৌধুরী'  উপাধি  লাভ  করেন।  তখন  থেকে  এই  বংশ  আন্দুলের  ''দত্ত  চৌধুরী''  বংশ  বলে  পরিচিতি  লাভ  করে। 

            এই  পরিবারের  রামশরণ  দত্তচৌধুরী ( ১৫৪৮ - ১৬০৬ খ্রী )  প্রথম  এই  বাড়িতে  দুর্গা  পূজা  শুরু  করেন। 

সঙ্গের  ছবিগুলো  ২০১৮  সালের  ষষ্ঠীর  দিন  তোলা।


বাড়ির ঠাকুরদালান 

প্রতিমা - ১

প্রতিমা - ২

প্রতিমা - ৩

       কী  ভাবে  যাবেন ?

           আন্দুল  দত্ত  চৌধুরী  বাড়ি  যেতে  হলে  হাওড়া  স্টেশন  থেকে  আন্দুলের  বাসে  উঠে  আন্দুল  বাজারে  নামুন।  সেখান  থেকে   টোটোতে  বা  হেঁটে  আন্দুল  দত্ত  চৌধুরী  বাড়ি।

                      ---------------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল। বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন। আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না। অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 



রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য - ৫৯৯ টাকা।



 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের মোড়ে দুই মোহিনীমোহন কাঞ্জিলালের কাপড়ের দোকানের মাঝের রাস্তা ১৫, শ্যামাচরণ দে স্ট্রিটের উপর অবস্থিত বিদ্যাসাগর টাওয়ারের দু'তলায় 'রা প্রকাশনে'র দোকান ( রা বইহেমিয়ন )। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

২টি মন্তব্য: