সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৩

Dasghara Basu Bari Durga Puja, Dasghara, Hooghly

 দশঘড়া বসু বাড়ির দুর্গাপূজা 

                           শ্যামল কুমার ঘোষ


            দশঘড়ার বনেদি বাড়ির পূজাগুলির মধ্যে বসু পরিবারের দুর্গাপূজা অন্যতম। এ বছর ( ২০২৩ খ্রি. ) ৪২২ বছরে পড়ল। এ পরিবারের পূর্বপুরুষ মথুরানাথ দশঘড়ায় এই দুর্গাপূজা শুরু করেন। তবে তার আগে মথুরানাথের পূর্বপুরুষ পরমানন্দ বসু বর্তমান বাংলাদেশের যশোরে এই দুর্গাপূজা শুরু করেছিলেন। ১৬৯৭  খ্রিস্টাব্দে মথুরানাথ যশোর ছেড়ে হুগলির দশঘড়ায় এসে বসবাস শুরু করেন। 

            প্রতিমার কাঠামো পূজা হয় উল্টোরথের দিন। দুর্গাদালানেই প্রতিমা তৈরি হয়। শিল্পী হুগলির চন্দননগরের। এ বছরের প্রতিমা শিল্পী ছিলেন প্রাণকৃষ্ণ পাল। একচালা প্রতিমা। মহাষষ্ঠীর দিন শুরু হয় কল্পারম্ভ। পুজো হয় বৈষ্ণব মতে। তাই কোন পশুবলি হয় না। পাশের একটি দালান মন্দিরে বংশের কুলদেবতা দামোদর জিউ প্রতিষ্ঠিত ও নিত্য পূজিত।    

           ( প্রতিমার ছবিগুলো ২০২৩ সালের সপ্তমীর দিন তোলা )   

প্রতিমা - ১

প্রতিমা - ২

প্রতিমা - ৩

            কলকাতা থেকে কী ভাবে যাবেন ?

            হাওড়া স্টেশন থেকে তারকেশ্বর লোকালে উঠে তারকেশ্বর স্টেশনে নামুন। সেখান থেকে বাসে বা ট্রেকারে দশঘরা বাসস্টপ। বাসস্টপ থেকে টোটোতে পৌঁছে যান বিশ্বাস বাড়ির কাছে বসু বাড়ি। চুঁচুড়া, গুড়াপ, ধনেখালি থেকেও দশঘর যাওয়া যায়।

         -------------------------------------------


অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল। বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন। আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না। অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 



রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য - ৫৯৯ টাকা।



 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের মোড়ে দুই মোহিনীমোহন কাঞ্জিলালের কাপড়ের দোকানের মাঝের রাস্তা ১৫, শ্যামাচরণ দে স্ট্রিটের উপর অবস্থিত বিদ্যাসাগর টাওয়ারের দু'তলায় 'রা প্রকাশনে'র দোকান ( রা বইহেমিয়ন )। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন