মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৮

One stucco ornamented Kaachari Bari of Ray Family, Rautara, Howrah District, West Bengal


একটি পঙ্খের কাজ করা কাছারি বাড়ি, রায় পরিবার, রাউতারা, হাওড়া

শ্যামল  কুমার  ঘোষ   

            হাওড়া  জেলার  আমতা  ২  নং  ব্লকের  অন্তর্গত  একটি  গ্রাম  রাউতারা  বা  রাউতরা।  হাওড়া  স্টেশনের  হাওড়া  বাসস্ট্যান্ড  থেকে  ঝিকিরার  বাসে  এই  গ্রামে  যাওয়া  যায়।  সময়  লাগে  ২  ঘন্টা  ১৫  মিনিট।  বাসটি  ঝিকিরার  হলেও  রাউতারা  পর্যন্ত  যায়।  ঝিকিরা  ও  রাউতারা  পাশাপাশি  দুটি  গ্রাম। এই  বাসস্ট্যান্ডের  পূর্ব দিকে  স্থানীয়  রায়  পরিবার  কর্তৃক  প্রতিষ্ঠিত  দামোদরের  একটি  বারোচালা  মন্দির  বর্তমান।  মন্দিরের  সামনে  রায়  পরিবারের  জমিদারির  কাছারি  বাড়ি  অবস্থিত।  বাড়িটি  এখন  ছাত্রদের  পাঠদান  কাজে  ব্যবহৃত  হয়।  আজকে  সেই  বাড়িটিই  আলোচ্য  বিষয়।

            দুতলা  বাড়িটির  বাইরের  দিকে  কার্নিশের  নিচে,  দুই  তলের  কোণে,  প্রতিটি  খিলানের  উপরে,  প্রতিটি  স্তম্ভের  উপরের   দিকে  অপূর্ব  পঙ্খের  নকশা,  নারী  মূর্তি,  ফুল  ইত্যাদি  কাজ  আছে।  এমন  সুন্দর  পঙ্খের  কাজযুক্ত  বাড়ি  সচরাচর  দেখা  যায়  না।  এখানে  রায়  পরিবারের  প্রতিটি  বাড়িতেই  কিছু  না  কিছু  পঙ্খের  কাজ  আছে। 



কাছারি  বাড়ি  - ১

কাছারি  বাড়ি  - ২

পঙ্খের  কাজ - ১

পঙ্খের  কাজ - ২

পঙ্খের  কাজ - ৩

পঙ্খের  কাজ - ৪

পঙ্খের  কাজ - ৫

পঙ্খের  কাজ - ৬

পঙ্খের  কাজ - ৭

পঙ্খের  কাজ - ৮

কাছারি  বাড়ি ( পূর্ব  দিক )  - ৩

পঙ্খের  কাজ - ৯

পঙ্খের  কাজ - ১০

পঙ্খের  কাজ - ১১

পঙ্খের  কাজ - ১২

পঙ্খের  কাজ - ১৩

পঙ্খের  কাজ - ১৪



            একটু  দূরেই  রায়  পরিবারের  একটি  পুরানো  নহবৎ  খানা  আছে।  এটিতেও  কিছু  পঙ্খের  কাজ  আছে।  

নহবতখানা 

খিলানের  উপরের  পঙ্খের  কাজ 


            পরিদর্শনের তারিখ :  ১৫.০৮.২০১৮

         ---------------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল। বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন। আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে এ জন্মে, এমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না। অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির ও বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি'। মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 



রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।



 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন : 9836382920 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন